Showing posts with label Jokes. Show all posts
Showing posts with label Jokes. Show all posts

Wednesday, April 8, 2009

অফিসের স্বাধীনতা

তোমার নতুন চাকরি কেমন লাগছে ? তুমি কি সেখানে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পার?
- ভালোই লাগছে। স্বাধীনতা আছে বেশ । অফিসের সময় ৯-৫টা । তবু আমি ৯টার আগে যে কোন সময় এবং অফিসে আসতে পারি ও ৫টার পরে যে কোন সময় চলে যেতে পারি।

অফিসের স্বাধীনতা

তোমার নতুন চাকরি কেমন লাগছে ? তুমি কি সেখানে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পার?
- ভালোই লাগছে। স্বাধীনতা আছে বেশ । অফিসের সময় ৯-৫টা । তবু আমি ৯টার আগে যে কোন সময় এবং অফিসে আসতে পারি ও ৫টার পরে যে কোন সময় চলে যেতে পারি।

অতি সাবধানী

ম্যানেজারঃ তুমি নাকি আলমিরার চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানিঃ জ্বী স্যার।
ম্যানেজারঃ আগে একটা হারিয়েছিলে তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম ।
কেরানিঃ দুটোই হারাই নি স্যার ! একটা মাত্র হারিয়েছি ।
ম্যানেজারঃ তাহলে অন্যটা কোথায় ?
কেরানিঃ হারিয়ে যাবার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমিররার মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম ।

অতি সাবধানী

ম্যানেজারঃ তুমি নাকি আলমিরার চাবি আবারও হারিয়েছ?
কেরানিঃ জ্বী স্যার।
ম্যানেজারঃ আগে একটা হারিয়েছিলে তাই এবার তালার সঙ্গে দুটো চাবিই তোমাকে দিয়েছিলাম ।
কেরানিঃ দুটোই হারাই নি স্যার ! একটা মাত্র হারিয়েছি ।
ম্যানেজারঃ তাহলে অন্যটা কোথায় ?
কেরানিঃ হারিয়ে যাবার ভয়ে আগে থেকেই সাবধান ছিলাম। তাই ওটা আলমিররার মধ্যেই সংরক্ষণ করে রেখেছিলাম ।

অতিথি আপ্যায়ন

অতিথি আপ্যায়ন

অনেক দিন পর বাড়িতে একজন মেহমান এসেছে। মেহমান দেখে বাড়ির মালিক বললেন, তা কেমন আছেন, অনেক দিন পর এলেন, আজ তো আর থাকবেন না, আবার কবে আসবেন?
মেহমান : অনেক দিন পর এলাম, যেতে তো আর দিবেন না, লুঙিটা দিন গোসলটা সেরেই আসি।


অতিথি আপ্যায়ন

অতিথি আপ্যায়ন

অনেক দিন পর বাড়িতে একজন মেহমান এসেছে। মেহমান দেখে বাড়ির মালিক বললেন, তা কেমন আছেন, অনেক দিন পর এলেন, আজ তো আর থাকবেন না, আবার কবে আসবেন?
মেহমান : অনেক দিন পর এলাম, যেতে তো আর দিবেন না, লুঙিটা দিন গোসলটা সেরেই আসি।


Saturday, March 21, 2009

টিভি চ্যানেলের ময়নাতদন্ত

ব্যাঙের ছাতার মতো না হোক

বছর হলেই পার,
দুটি করে চ্যানেল গজায়
ঠেকায় সাধ্য কার?

নানা রকম অঙ্গীকার আর
নতুন ্লোগান দিয়ে,
ছ’মাস দেখি টেস্টে থাকে
ওল্ড প্রোগ্রাম নিয়ে।

নতুন কী কী থাকবে এতে
চলছে যখন থিম,
বাগিয়ে আনার চেষ্টা তখন
অন্য টিভির টিম।

ডাবল বেতন অফারে কেউ
যোগ দেয় সেই দলে
পুরোটা টিম তৈরি হতে
অনেক প্রসেস চলে।

জয়েন করেও ব্যাক করে কেউ
এমন লোকও আছে,
নতুন চ্যানেল না দাঁড়ালে
ঠকতে হবে পাছে।

নতুন চ্যানেল, গবেষণার
বাদ পড়ে না কিছু,
চামচা ঘোরে ডজনখানেক
ডিরেকটরের পিছু।

টিভির লোগো কয়েকটা হয়
সিলেক্ট কি আর সোজা?
কোনটা স্ক্রিনে লাগবে ভালো
যায় না আগেই বোঝা!

লোগোর পিছে লাগবে টাকা
আপত্তি নেই ঢালো,
দুই-তিনবার করলে বদল
হতেও পারে ভালো।

লোগোর সমস্যাটা যখন
যায় চ্যানেলের মিটে,
ডেকোরেশন ফাট্টাফাটি
কালার করো ইটে।

দুই-তিনবার যায় পিছিয়ে
সম্প্রচারের ডেট,
এমপ্লয়িরা একটু হতাশ
হচ্ছে কেন লেট?

ঘটা করে বিশেষ দিনে
চ্যানেল হলে চালু,
নিউজ বিভাগ, ব্রডকাস্টের
গরম মাথার তালু।

প্রোগ্রাম পায় একটু রিলিফ
বাইরে থেকে কেনা,
নিজেদের আর কেনা প্রোগ্রাম
সহজে যায় চেনা।

শুরুর দিকে তারকা সব
মেকার যদিও আসে,
কিনতে গিয়ে সেই প্রোগ্রাম
অনেক চ্যানেল ফাঁসে।

সব প্রোগ্রাম তেমন করে
নজর কি আর কাড়ে?
হিট মেকারের ফ্লপ প্রোগ্রাম
দোষ চ্যানেলের ঘাড়ে।

রান্না এবং গানের ইভেন্ট
সব চ্যানেলেই আছে,
নাটক, ম্যাগাজিনের চেয়েও
প্রিয় কারও কাছে।

নানান রকম শোয়ের পরেও
টক শো থাকে মাস্ট,
শুদ্ধ ভাষায় হয় না নাটক
ওসব এখন পাস্ট।

খুইজ্যা দ্যাখো, খায়া ফালাও
চলতি ভাষার ড্রামা,
তরুণ সমাজ নিলেও মানতে
নারাজ খালু, মামা!

বাংলা ছবির কদর তবে
সব চ্যানেলেই রয়,
বাড়ির বুয়া এসব ছাড়া
কাজেই রাজি নয়!

গৃহিণীরাও দেখেন এসব
দুপুরবেলা শুয়ে-
পিচ্চি যেসব পাকনা, দেখে
মুখের খাবার থুয়ে।

ঘণ্টাতে ঘণ্টাতে নিউজ
দেখেন অনেক লোক,
লাইভ টেলিকাস্ট খাচ্ছে সবাই
বিষয় যেটাই হোক।

সেলুলার ফোন ডায়াল করেও
নিউজ যাবে জানা,
ফোনে ফোনেই রিপোর্টারের
জীবন প্রায়ই ফানা···।

বিজ্ঞাপনের বিরতিতে
দর্শক দেয় ঘুম,
চ্যানেলগুলোয় টক শো করার
পড়ছে এখন ধুম।

একই বিষয়, একই মানুষ
সব চ্যানেলেই থাকে,
বক্তার নেই একটু সময়
সব শোতে হায় ডাকে!

এসব অনুষ্ঠানেই নাকি
চ্যানেল ওঠে জমে,
কারও বাড়ে টিআরপি ফের
কারও আবার কমে।

সমালোচক চ্যানেলগুলোর
নিন্দা করুক, তবে-
তথ্য এখন ড্রয়িং রুমে
এটাও মানতে হবে।

ওবায়দুল গনি
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ১৬, ২০০৯


টিভি চ্যানেলের ময়নাতদন্ত

ব্যাঙের ছাতার মতো না হোক

বছর হলেই পার,
দুটি করে চ্যানেল গজায়
ঠেকায় সাধ্য কার?

নানা রকম অঙ্গীকার আর
নতুন ্লোগান দিয়ে,
ছ’মাস দেখি টেস্টে থাকে
ওল্ড প্রোগ্রাম নিয়ে।

নতুন কী কী থাকবে এতে
চলছে যখন থিম,
বাগিয়ে আনার চেষ্টা তখন
অন্য টিভির টিম।

ডাবল বেতন অফারে কেউ
যোগ দেয় সেই দলে
পুরোটা টিম তৈরি হতে
অনেক প্রসেস চলে।

জয়েন করেও ব্যাক করে কেউ
এমন লোকও আছে,
নতুন চ্যানেল না দাঁড়ালে
ঠকতে হবে পাছে।

নতুন চ্যানেল, গবেষণার
বাদ পড়ে না কিছু,
চামচা ঘোরে ডজনখানেক
ডিরেকটরের পিছু।

টিভির লোগো কয়েকটা হয়
সিলেক্ট কি আর সোজা?
কোনটা স্ক্রিনে লাগবে ভালো
যায় না আগেই বোঝা!

লোগোর পিছে লাগবে টাকা
আপত্তি নেই ঢালো,
দুই-তিনবার করলে বদল
হতেও পারে ভালো।

লোগোর সমস্যাটা যখন
যায় চ্যানেলের মিটে,
ডেকোরেশন ফাট্টাফাটি
কালার করো ইটে।

দুই-তিনবার যায় পিছিয়ে
সম্প্রচারের ডেট,
এমপ্লয়িরা একটু হতাশ
হচ্ছে কেন লেট?

ঘটা করে বিশেষ দিনে
চ্যানেল হলে চালু,
নিউজ বিভাগ, ব্রডকাস্টের
গরম মাথার তালু।

প্রোগ্রাম পায় একটু রিলিফ
বাইরে থেকে কেনা,
নিজেদের আর কেনা প্রোগ্রাম
সহজে যায় চেনা।

শুরুর দিকে তারকা সব
মেকার যদিও আসে,
কিনতে গিয়ে সেই প্রোগ্রাম
অনেক চ্যানেল ফাঁসে।

সব প্রোগ্রাম তেমন করে
নজর কি আর কাড়ে?
হিট মেকারের ফ্লপ প্রোগ্রাম
দোষ চ্যানেলের ঘাড়ে।

রান্না এবং গানের ইভেন্ট
সব চ্যানেলেই আছে,
নাটক, ম্যাগাজিনের চেয়েও
প্রিয় কারও কাছে।

নানান রকম শোয়ের পরেও
টক শো থাকে মাস্ট,
শুদ্ধ ভাষায় হয় না নাটক
ওসব এখন পাস্ট।

খুইজ্যা দ্যাখো, খায়া ফালাও
চলতি ভাষার ড্রামা,
তরুণ সমাজ নিলেও মানতে
নারাজ খালু, মামা!

বাংলা ছবির কদর তবে
সব চ্যানেলেই রয়,
বাড়ির বুয়া এসব ছাড়া
কাজেই রাজি নয়!

গৃহিণীরাও দেখেন এসব
দুপুরবেলা শুয়ে-
পিচ্চি যেসব পাকনা, দেখে
মুখের খাবার থুয়ে।

ঘণ্টাতে ঘণ্টাতে নিউজ
দেখেন অনেক লোক,
লাইভ টেলিকাস্ট খাচ্ছে সবাই
বিষয় যেটাই হোক।

সেলুলার ফোন ডায়াল করেও
নিউজ যাবে জানা,
ফোনে ফোনেই রিপোর্টারের
জীবন প্রায়ই ফানা···।

বিজ্ঞাপনের বিরতিতে
দর্শক দেয় ঘুম,
চ্যানেলগুলোয় টক শো করার
পড়ছে এখন ধুম।

একই বিষয়, একই মানুষ
সব চ্যানেলেই থাকে,
বক্তার নেই একটু সময়
সব শোতে হায় ডাকে!

এসব অনুষ্ঠানেই নাকি
চ্যানেল ওঠে জমে,
কারও বাড়ে টিআরপি ফের
কারও আবার কমে।

সমালোচক চ্যানেলগুলোর
নিন্দা করুক, তবে-
তথ্য এখন ড্রয়িং রুমে
এটাও মানতে হবে।

ওবায়দুল গনি
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ১৬, ২০০৯


সেলফিশদের জায়গা

বাচ্চা মাছ তার মাকে বলল, আচ্ছা মা, আমরা মাছেরা পৃথিবীর আলো-বাতাসে বেঁচে থাকতে পারি না কেন? মা মাছ বলল, মা, ওটা এমন একটা জায়গা যেখানে মাছেরা (ফিশ) টিকতে পারে না, ওটা কেবল সেলফিশদের জায়গা।

সেলফিশদের জায়গা

বাচ্চা মাছ তার মাকে বলল, আচ্ছা মা, আমরা মাছেরা পৃথিবীর আলো-বাতাসে বেঁচে থাকতে পারি না কেন? মা মাছ বলল, মা, ওটা এমন একটা জায়গা যেখানে মাছেরা (ফিশ) টিকতে পারে না, ওটা কেবল সেলফিশদের জায়গা।

ছাত্র-শিক্ষক কৌতুক সমগ্র

১.

শিক্ষক: ঘুম পেলে আমরা বিছানায় যাই কেন?
ছাত্র : ঘুম পেলেও বিছানা আমাদের কাছে আসেনা তাই।

২.
শিক্ষক: বল, আকবরের জীবনকাল কত সাল থেকে কত সাল পর্যন-?
ছাত্র: পারিনা স্যার। এটা বইয়ে নেই।
শিক্ষক বই খুললেন, সেখানে লেখা—আকবর (১৫৪২-১৬০৫)
ছাত্র: স্যার, আমি ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার।

৩.
শিক্ষক: বলতো বিবিসি তে কি হয়?
আরিফ: ব্রিটিশ ব্রড কাষ্টিং।
শিক্ষক: গুড। বিবি তে কি হয়?
জহির: বাংলাদেশ ব্যাংক।
শিক্ষক: ভেরী গুড। ইএসপিএন এ কি হয়?
মদন: সারাদিন শুধু খেলা হয় স্যার।

৪.
শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের ক্রিকেট ম্যাচের উপর রচনা লিখতে দিলেন। টুকু ছাড়া সবাই রচনা লিখতে ব্যস্ত- হয়ে পড়ল।
টুকু লিখল: বৃষ্টির কারনে ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে।

৫.
বায়োলজির শিক্ষক ব্যাঙের পেট কেটে ছাত্রদের কোথায় কি আছে দেখাচ্ছেন।
: ধর, মানুষের পেট এভাবে কাটলে, তখন কি কি দেখবে?
: সবার আগে পুলিশ, তারপর জেলখানা স্যার।

৬.
স্কুলের প্রথম দিনে ছেলে বাড়ি ফিরল ।
বাবা আদর করে কাছে ডেকে বললেন, স্কুলে কি শিখলে বাবা ?
ছেলে বলল, কিছুই না। আবার নাকি কাল যেতে হবে।

৭.
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে-
শিক্ষক: আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি। এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো।
ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

৮.
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই…

৯.
শিক্ষক : গরু ঘাস খাচ্ছে এমন একটা ছবি আঁকো।
কিছুক্ষণ পর-
ছাত্র : স্যার আমার আঁকা শেষ।
শিক্ষক : (ধমক দিয়ে) আমি আঁকতে বলেছি গরু ঘাস খায় আর তুমি শুধু গরু এঁকেছ কেন?
ছাত্র : গরু সব ঘাস খেয়ে ফেলেছে স্যার।

১০.
শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন?
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না।


সূত্র: সংগৃহিত

ছাত্র-শিক্ষক কৌতুক সমগ্র

১.

শিক্ষক: ঘুম পেলে আমরা বিছানায় যাই কেন?
ছাত্র : ঘুম পেলেও বিছানা আমাদের কাছে আসেনা তাই।

২.
শিক্ষক: বল, আকবরের জীবনকাল কত সাল থেকে কত সাল পর্যন-?
ছাত্র: পারিনা স্যার। এটা বইয়ে নেই।
শিক্ষক বই খুললেন, সেখানে লেখা—আকবর (১৫৪২-১৬০৫)
ছাত্র: স্যার, আমি ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার।

৩.
শিক্ষক: বলতো বিবিসি তে কি হয়?
আরিফ: ব্রিটিশ ব্রড কাষ্টিং।
শিক্ষক: গুড। বিবি তে কি হয়?
জহির: বাংলাদেশ ব্যাংক।
শিক্ষক: ভেরী গুড। ইএসপিএন এ কি হয়?
মদন: সারাদিন শুধু খেলা হয় স্যার।

৪.
শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের ক্রিকেট ম্যাচের উপর রচনা লিখতে দিলেন। টুকু ছাড়া সবাই রচনা লিখতে ব্যস্ত- হয়ে পড়ল।
টুকু লিখল: বৃষ্টির কারনে ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে।

৫.
বায়োলজির শিক্ষক ব্যাঙের পেট কেটে ছাত্রদের কোথায় কি আছে দেখাচ্ছেন।
: ধর, মানুষের পেট এভাবে কাটলে, তখন কি কি দেখবে?
: সবার আগে পুলিশ, তারপর জেলখানা স্যার।

৬.
স্কুলের প্রথম দিনে ছেলে বাড়ি ফিরল ।
বাবা আদর করে কাছে ডেকে বললেন, স্কুলে কি শিখলে বাবা ?
ছেলে বলল, কিছুই না। আবার নাকি কাল যেতে হবে।

৭.
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে-
শিক্ষক: আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি। এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো।
ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

৮.
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই…

৯.
শিক্ষক : গরু ঘাস খাচ্ছে এমন একটা ছবি আঁকো।
কিছুক্ষণ পর-
ছাত্র : স্যার আমার আঁকা শেষ।
শিক্ষক : (ধমক দিয়ে) আমি আঁকতে বলেছি গরু ঘাস খায় আর তুমি শুধু গরু এঁকেছ কেন?
ছাত্র : গরু সব ঘাস খেয়ে ফেলেছে স্যার।

১০.
শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন?
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না।


সূত্র: সংগৃহিত

হাসতে মানা -৩

১.

বড় মাঠের এক পাশে ৪/৫ জন ছেলে বসে গল্প করছে,
মাঠের অন্য পাশে ৪/৫ জন মেয়ে বসে গল্প করছে, মেয়েদের একজন বলল, আচ্ছা- ছেলেরা বসে বসে কি কথা বলেরে?
মেয়েদের অন্য একজন বলল, কেন- আমরা বসে বসে যে সব কথা বলি, ছেলেরা ও তাই বলে আরকি!!
তখন মেয়েদের একজন বলল, ছি!ছি!ছি! ছেলেরা এত খারাপ!

২.

একদিন ছোট ছেলেটি সাইকেলের নীচে পড়ে ব্যথা পেয়ে কান্না করছে । বাবা ছেলেটিকে দুই টাকা দিল এবং ছেলেটি কান্না থামিয়ে বাবাকে বলল, বাবা- সাইকেলের নিচে পরায় তুমি আমাকে দুই টাকা দিলে, ট্রাকের নীচে পড়লে কত দিবে বাবা?


সূত্র: সংগৃহিত

হাসতে মানা -৩

১.

বড় মাঠের এক পাশে ৪/৫ জন ছেলে বসে গল্প করছে,
মাঠের অন্য পাশে ৪/৫ জন মেয়ে বসে গল্প করছে, মেয়েদের একজন বলল, আচ্ছা- ছেলেরা বসে বসে কি কথা বলেরে?
মেয়েদের অন্য একজন বলল, কেন- আমরা বসে বসে যে সব কথা বলি, ছেলেরা ও তাই বলে আরকি!!
তখন মেয়েদের একজন বলল, ছি!ছি!ছি! ছেলেরা এত খারাপ!

২.

একদিন ছোট ছেলেটি সাইকেলের নীচে পড়ে ব্যথা পেয়ে কান্না করছে । বাবা ছেলেটিকে দুই টাকা দিল এবং ছেলেটি কান্না থামিয়ে বাবাকে বলল, বাবা- সাইকেলের নিচে পরায় তুমি আমাকে দুই টাকা দিলে, ট্রাকের নীচে পড়লে কত দিবে বাবা?


সূত্র: সংগৃহিত

হাসতে মানা-২

জেলখানা

জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।

তালা এক্সপার্ট!

বিচারকঃ আপনার পেশা কী?
আসামিঃ জি, আমি তালা এক্সপার্ট।
বিচারকঃ তালা এক্সপার্ট! আপনার কাজ তো দিনে থাকার কথা। কিন্তু রাত দুটোয় আপনি সোনার দোকানে কী করছিলেন?
আসামিঃ ওদের গেটের তালাটা ঠিক আছে কিনা পরখ করে দেখছিলাম!

গরু ও মহিষের কথোপকথন

গরুঃ তোর মাংসের চেয়ে আমার মাংসের দাম অনেক বেশী, ভাবতে ভালই লাগে……..
মহিষঃ জবাইয়ের পর তুইও গরু, আমিও গরু…শালা গরু কোথাকার।

হাসতে মানা-২

জেলখানা

জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।

তালা এক্সপার্ট!

বিচারকঃ আপনার পেশা কী?
আসামিঃ জি, আমি তালা এক্সপার্ট।
বিচারকঃ তালা এক্সপার্ট! আপনার কাজ তো দিনে থাকার কথা। কিন্তু রাত দুটোয় আপনি সোনার দোকানে কী করছিলেন?
আসামিঃ ওদের গেটের তালাটা ঠিক আছে কিনা পরখ করে দেখছিলাম!

গরু ও মহিষের কথোপকথন

গরুঃ তোর মাংসের চেয়ে আমার মাংসের দাম অনেক বেশী, ভাবতে ভালই লাগে……..
মহিষঃ জবাইয়ের পর তুইও গরু, আমিও গরু…শালা গরু কোথাকার।

হাসতে মানা

১.

টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।

২.

মাঃ তোমাকে তোমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরন করা উচিত।
ছেলেঃ বাবা, এমন কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন?
মাঃ কেন, ভদ্র ব্যাবহার করার জন্য জেল কতৃপক্ষ গত বছর তার শাস্তি ছয় মাস কমিয়ে দিয়েছিল।

৩.

১ম ভিক্ষুকঃ এই মিয়া তুমিনা আগে রেল স্টেশনে ভিক্ষ করতা। এইখানে আইছ কেন?
২য় ভিক্ষুকঃ ওই জায়গাডা মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিছি।

৪.

পথচারীঃ এই মিথ্যুক! তুমি তো অন্ধ নও। তুমি অন্ধ সেজে ভিক্ষা করছ কেন?
ভিক্ষুকঃ ঠিকই ধরেছেন স্যার। যে অন্ধ সে আজ ছুটিতে গেছে। তার জায়গায় আমার ডিউটি পড়েছে। আসলে আমি বোবা।

সূত্র : সংগৃহিত

হাসতে মানা

১.

টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।

২.

মাঃ তোমাকে তোমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরন করা উচিত।
ছেলেঃ বাবা, এমন কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন?
মাঃ কেন, ভদ্র ব্যাবহার করার জন্য জেল কতৃপক্ষ গত বছর তার শাস্তি ছয় মাস কমিয়ে দিয়েছিল।

৩.

১ম ভিক্ষুকঃ এই মিয়া তুমিনা আগে রেল স্টেশনে ভিক্ষ করতা। এইখানে আইছ কেন?
২য় ভিক্ষুকঃ ওই জায়গাডা মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিছি।

৪.

পথচারীঃ এই মিথ্যুক! তুমি তো অন্ধ নও। তুমি অন্ধ সেজে ভিক্ষা করছ কেন?
ভিক্ষুকঃ ঠিকই ধরেছেন স্যার। যে অন্ধ সে আজ ছুটিতে গেছে। তার জায়গায় আমার ডিউটি পড়েছে। আসলে আমি বোবা।

সূত্র : সংগৃহিত

চিঠি

প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম।
ইতি তোমার স্বামী (অমুক)
তার বউ কিছুদিন পর সে চিঠির উত্বর দিল এভাবে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।
১/ দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে।
২/ বিদ্যুত্ত বিল ওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।
৩/ বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।
৪/ সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই ……… (সেন্সর)
৫/ আর অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।
আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।

চিঠি

প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম।
ইতি তোমার স্বামী (অমুক)
তার বউ কিছুদিন পর সে চিঠির উত্বর দিল এভাবে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।
১/ দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে।
২/ বিদ্যুত্ত বিল ওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।
৩/ বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।
৪/ সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই ……… (সেন্সর)
৫/ আর অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।
আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।